নির্মল বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃজন/ নাসরিন ইসলাম৷
নিচ্ছিদ্র দিচ্ছে মনুষ্যরূপী কীট দাবাগুটি তে কুটচাল
পৈশাচিক কর্মকাণ্ডে আলাভোলা'র পার হয় মহাকাল,
প্রভূ কে বোঝা বড় দায়,দেখে পিশাচ'র ছলকলা তুড়ি
কখন জানি?পাপকর্মে রথীদের নরকে মারিবেন ছুড়ি!
নয় দেশের জন্য , ক্ষমতায় বসে দেন জাতিকে বাঁশ
আমজনতা যেনো ওদের ক্রয়কৃত আজন্ম ক্রীতদাস!
রক্তচোষা রূপে খাবে বলে, পাতা হচ্ছে পুনঃশ্চ ফাঁদ?
জাগিলে জনতা সকল কুকর্ম এবার করবে-ই নসাৎ।
অশালীন কথনে পার্থিব জগত লজ্জায় মরিয়া যায়
হতে চায় প্রদর্শক, শুনে জাতি করিয়া চলে হায় হায়!
নরপিশাচ'র হীন কর্মে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড হতে চলিছে বধির
কি হবে ভাবিয়া?নির্ঘম মুনি-ঋষি'র চিত্ত হয় যে অধীর।
ক্ষমতালিপ্সু ওরা নমরূদ-ফেরাউন'র প্রজন্ম বংশধর
রথি-মহারথিরা পাপাকর্মে ছিঁটেফোঁটা করে না থরথর!
স্বীয় মনোবাঞ্চা পূর্ণ হবে না, পাপে জ্বলিবে মনুষ্য ছাঁ।
চিন্তায় আসেনা কেনে যে,ওদের মস্তিষ্কে কালক্ষণে তা!
কেনো বোঝনা? তাইতো মহান রব পাঠালেন তোমা
নির্মল পার্থিব-জগত সৃজনের তরে,
তোমা মুখপানে চাহিয়া রহিয়াছে মানব সভ্যতা বিন্ধু
স্বঃস্থি-অরোরা ভোর দর্শন'র ঘোরে!