সেই কবে হতে কথা হয় না
কারো সাথে,
রক্তের নতুবা আত্মার কারো সাথেই
হয় না কথন,
বলতেও ইচ্ছে হয় না কেনো যে জানি না রে।
নিজ কে,
কেনো যেনো বরাবর অন্য গ্রহ’র জীব
বা অন্য কিছু মনে হয়।
কি যে মনে হয় স্বীয় সত্তা কে
তাও বুঝি না, বুঝতে পারি না।
ওরা সবাই আশরাফুল মাখলুকাত,
অথচ; বুঝে না কারো ক্লেশ,
নেই বিন্দুকনা মায়া-মমত্ব
নেই অপমানবোধ!
ওরা পদার্পণ করছে ইহ-জগতে
চিন্তা-চেতনায় সকল কে
হেনস্তা’র পাঁয়তারায় উজ্জীবিত হয়ে
কিংবা
এহেন অনুপ্রেরণায় গড়ে তুলছে সত্তা-স্বকীয়তা।
এরূপ কদাচারে আবর্তিত বলয়ে
বসত করতে করতে হাঁপিয়ে উঠি,
দম বন্ধ হয়ে নিঝুম দ্বীপে গড়ি বসত
অতঃপর; ভেঙেচুড়ে চূর্ণবিচূর্ণ
খান খান “হে প্রভূ” তোমার অকর্মণ্য এ অধম।
ক্ষণে বোবাকান্না পেয়ে বসে,
অঝোরে ঝরে ঝরে নিদ্রার কোলে
পড়ি ঢলে,
ক্ষণে বাকরূদ্ধ মূর্তি রূপ!
মাঝে মাঝে মনে হয় বধির হয়ে যাই
তাহলে;
শ্রবণ হবে না ঐ তিরস্কার’র কথোপকথন।
অন্ধ হতেও মোটেই কার্পণ্য নয়,
নরপিশাচ জানোয়ার আচরণ দর্শনে
দুর্বিসহ যন্ত্রনা হতে পরিত্রাণ পাবার নেশায়!
“হে মহান” ক্ষমা করো আমায়
এই নিষ্পেষিত বেদনা সয়ে নিতে
অপারগ বলে ——ক্ষম আমায়
ক্ষম আমায়, ক্ষম আমায়!
Like this:
Like Loading...
Related