
মমললাটে রুদ্র তাপের ঐ তেজস্ক্রিয়তায়,
যখন গাত্র ভেজে তরল লবনাক্ততায়।
তখন আর্দ্র শরীর জুড়িয়ে দাও তোমার উষ্ণতায়।
ওগো নন্দিনী কেন এত ভালবাস আমায়?
মমহৃদয়ের সুক্ষ্ম কোণের ঐ বেদনা কোঠায়,
যখন উদগ্রীব ব্যাথাগুলো ফুঁসে উঠে সর্পফণায়।
তখন বিষ্যহৃদয় জড়িয়ে রাখো তোমার ভালবাসায়।
ওগো নন্দিনী কেন এত ভালবাসো আমায়?
মমভূবনের সজ্জিত কাননে ঐ সাইক্লোনের ধ্বংসলীলায়,
যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে রশ্নি গলায় গাছ তলায়।
তখন দিশেহারা কে আশা দেখাও আপন মহিমায়।
ওগো নন্দিনী কেন এত ভালবাসো আমায়?
মমকর্মযজ্ঞে ঐ আগ্রায়াসীদের ভয়াল থাবায়,
যখন মুন্ডুপখানা মোর চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে নি:শ্বেষ প্রায়।
তখন বিকিরণ কর ধৈর্যশক্তি তোমার অবলীলায়।
ওগো নন্দিনী কেন এত ভালবাসো আমায়?