তবুও চলবো! আমির হোসেন চৌধুরী হিসাবের খাতা বড়ই কঠিন! যাচ্ছে না মিলানো তার একদিকে কিছু যদি আসে অন্যদিকে যায় যে চলে । দিনের শেষে রঙিন স্বপ্ন যায় যে ভেসে পরদিন
যখন যেখানে যা পাই তাই নিয়ে কাঁটিয়েদেই বেলা। জানি না এ আমার কোন খেলা! আশায় বাঁধি, স্বপ্ন বুনি নিরাশায় ডুবে মরি। সমুখে যা পাই তাই আঁকড়ে ধরি! জানি না এ
হে বীর শহীদ ক্ষুদিরাম আবার এসো হাতে নিয়ে বোমা অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিশানায় মারো বুকে লক্ষ্যভ্রষ্ট যেন না হয় দেশের সম্পদ লুঠ তাদের নেই ক্ষমা মুহুর্মুহু ছোড়ো দুহাত ভর্তি সব্যসাচী
শেষ ঠিকানা শ্মশান, নয়তো কবর, কেউ যায় তাড়াতাড়ি,কেউ বা স্থাবর, দেশের তরে মরলে, শহীদ অমর, দলাদলি,অন্তর্ঘাত, মস্তানি জবর। অপঘাতে অপমৃত্যু,বিষাক্ত খবর, নারী ঘটিত কারণে, লজ্জার লহর, মহামারী শুরু হ’লে,মানেনা শহর,
২৮ নভেম্বর ২০২৫ রোজ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় ঢাকা ফটোগ্রাফার্স ক্লাব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ৪র্থ ডিপিসি জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ২০২৫ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয়
এস এম সুলতান বাংলাদেশে এসে নড়াইলের বাড়িতেই থাকতেন। সেখানে নীহার বালা দেবীর সাথে নাসির আলি মামুনের এক সাক্ষাৎকারে এক সাভাবিক সুলতানের গল্প শুনি। লেখাটি পরে অবাক হচ্ছিলাম কেননা যে সমাজে
দিনে দিনে বাড়ছে বয়স কাটছে গুনে দিন পেরিয়ে যাচ্ছে বছর খানেক বেড়ে যাচ্ছে সময়ের ঋণ।। অনেক অনেক ব্যথা জমে থাকছে পরে মনের কোনে, হাট-বাজারে ঘরে বাইরে নেই কোন তার হিসেব
মেঘ – রুবি আক্তার আমার এক টুকরো মেঘ আছে, যার কাছে রাখি আমার কষ্টগুলোকে জমা। একদিন গভীর রাতে বললো মেঘ এসে, তোর কষ্ট অনেক ভারী, পারি না যে আমি বয়ে
ক্ষমতার বাহাদুরি জনি সিদ্দিক ক্ষমতার বাহাদুরি করো তুমি ভোট চুরি, ঘাড়ে রেখে চাপাতি সরু গলি কাঁপাতি। মানুষ নাকি পশুরে তুই বন্য টাকার লোভে দিকহারা জঘন্য, অসহায় জনে তুই করলি ছিনতাই
শব্দে মোড়ানো আমি– ইকবাল জিল্লুল মজিদ লোকেরা ভাবে আমি লিখি কারণ শব্দ দিয়ে আমি ছবি আঁকতে জানি। কারণ আমি প্রকাশ করতে পারি – যা তারা কল্পনাও করতে পারে না।