
জন্মলগ্ন
তপন কুমার তপু
হয়তোবা কোনোদিনই দেখা হবে না তোমার সাথে আমার এই জনরণ্যের জন্মোৎসবে,
হয়তোবা নিখোঁজ বাতাসের মতো ভেসে ভেসে চলে যাবো কোনো অচেনা নিরুদ্দেশে,
যেখানে পাখিদের খসে পড়া মৃত পালকের মতো মৃত্তিকায় পড়ে রবো গভীর ভালোবেসে।
গতিহীন ইতিহাসে—মুছে যাওয়া কথার মতো মনের মন্ত্রণালয়ে সাজানো থাকবে অনুভব।।
দৃষ্টিহীন অদৃশ্য আশ্রয়ে—প্রকৃতির সুখে মহিমান্বিত অবাধ্য এ জীবনে বারবার,
নতুনত্বে রূপান্তরিত হয় পুরাতন ইতিহাসের অনন্য গতিময়তায় সাবলীল ইতিহাস,
অজানা গতিময়তায় নিরাশা—মানুষের জীবনে কি মৃত্যু-ই পৃথিবীতে শেষ পরিহাস।
আজন্ম লালিত স্বপ্ন মুছে যায়—তবুও এ জগত জীবনজুড়ে প্রত্যাশায় ঘর বাঁধে মানুষ আবার।।
এপার থেকে ওপার—দূরত্ব শুধুমাত্র জীবিত ও মৃতের মতো ক্ষুদ্র একটু ব্যবধান,
স্থিরে স্তব্ধ—সকাল আর সন্ধ্যার মতোই প্রবাহিত আমাদের জীবনপ্রবাহে,
জীবনের কল্লোলে প্রাণের—ফসলের গোলায় ভরে ওঠে সোনালি সূর্যের আলোভরা মোহে।
প্রিয় জন্ম, প্রিয় মৃত্যুর—পৃথিবীর জন্মলগ্নের প্রথম সকাল হতে কেউ দিতে পারেনি এর সমাধান।।