মাত্রা ছাড়িয়ে অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। প্রচণ্ড প্রখর তাপ,মাটিতে বাতাসে, রাখালের সঙ্গে গোরু, মরে হাঁসফাঁসে, গাছের তলায় শুয়ে আরাম নিঃশ্বাসে, জাবর কাটে বিশ্রামে মুখ ভরা ঘাসে। জলকষ্ট হাহাকার নির্মেঘ আকাশে, চাতকের
...বিস্তারিত পড়ুন
“ফুলে ফুলে মস্তি” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। মিলে জুলে দুই ফুলে হবে সরকার, ভাঙাভাঙির খেলায় শক্তি দরকার, মানুষকে ধোঁকা দিয়ে ব্যবস্থা খাবার, দলের টিকিটে জিতে অন্যের খোঁয়াড়। অষ্টপ্রহর পাঁচালি বাংলার দুয়ার,
শ্রমিক ভাইয়ের ঘামের দামে সভ্যতা গড়ে,শুধু পহেলা মে একদিন কেন সবার মনে পড়ে? আট ঘণ্টা কাজের দাবি, রক্তে লেখা নাম,শিকাগো থেকে ধ্বনি আসে—থামবে না সংগ্রাম। ইটের ভাটায় ছোট্ট হাত, কলম
হে মানবজন্ম—জন্মোৎসব পালন করো,জীবন সে তো প্রার্থনা, যত খুশি উদযাপন করো। আত্মকথনে আনন্দ করো, কথা বলতে পারার আনন্দ করো।কাজলমাখা দুটি চোখ, সমুদ্রনীল ভালোবাসা—অতল গহীন। বেদনাকেও লালন করো পরম যত্নে, একান্তে,চোখের
জ্যৈষ্ঠ মাসে রোদে পোড়ে মাঠ, আমের পাঠ। কাঁঠাল ফাটে মৌ মৌ গন্ধে, লিচু ঝোলে টুকটুকে ছন্দে। দুপুরে যখন হাঁসফাঁস প্রাণ, হঠাৎ আকাশে মেঘের আহ্বান। কালবৈশাখী আসে ধেয়ে, ধুলো উড়িয়ে,