মন-প্রাণ আত্মা জুড়ে বসতির থাকে যে টান-সম্মান, ঐ আগলে রাখা মমত্ব’র ঘোরে যায় কেটে সারাদিনমান। খাই-দাই পড়ি-লিখি নিদ্রা যাই গগন বিদারী আর্তিতে তোমা ছিঁটেফোঁটা দর্শণে ধাই। অষ্টপ্রহর আহা শত মুখ
একুশের অমল শিখা — এইচ.এম. জুনাইদুল ইসলাম ফালগুনী সেই দিনের কথা স্মৃতিতে অম্লান, বুকের তাজা রক্ত দিয়ে রচিল জয়গান। সালাম রফিক শহীদ স্মরণে মস্তক অবনত, ভাষার তরে দিলেন তারা জীবন
যাক চলে দিন! / আমির হোসেন একটু খানিক চাইলে ভালো দেখি- হয়ে যাই তা সব খারাপ! তার চেয়ে তাই- ভালো যে হয় কিছু ভালো না চাওয়ায়। যেদিন যাচ্ছে চলে সেদিন
অকৃত্রিম অকৃপণ মমত্ব’র কদর বুঝেনা , চায় না বুঝতে, সহস্রজন নিয়ে রঙ্গ তামাশায় মেতে রয়, রয় মেতে। কতশত প্রশ্ন? মায়ার নগরীর আকুতি-মিনতি, নেই ভ্রুক্ষেপ তামাশার ছলে তুরি মেরে ছুঁড়ে চলে
হলো না ভালোবাসা! আমির হোসেন ভালোবাসার নীল সাগরে আমি হলাম – এক লাল পদ্ম একান্তে- তবে আজ মনে প্রশ্ন ঘুরে ফিরে, হয়তো!!! ভালবাসায় ছিলো তোমার কিছু না জানা – ভুলে
“তুমি রবে নীরবে” অরবিন্দ সরকার বনের সব শেয়ালের এক রা হুক্কা হুয়া, হুবহু মানুষ রব ময়না টিয়া কাকাতুয়া। বাংলা ভাষার বড়াই বাঙালি করে লড়াই কোকিলের কুহুতান,কাক কা কা ধূয়া। রানীর
জীবনের পথে কবি-মুসাফির-৷৷ / ঢাকা এই বিশ্ব ভুবনে চলার পথে উঠতে বসতে হাঁটতে, কত মানুষের সাথে হয় দেখা! হয় পরিচয় হয় কিছু কথা কিছু ভালো কিছু মন্দ! চলে সব প্রকৃতির-
ঋতুর পরিবর্তন হয়,মানুষের নয়” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। শীত ফুরিয়ে বসন্ত, অপেক্ষা আসার, লেপ তোষক গুটিয়ে,ধনীর সংসার, গরীবের ছেঁড়া বস্ত্রে,সম্পদ কাঁথার, কে খোঁজ রাখে তাদের,শীতের ব্যথার! শীতের কম্বল চৈত্রে,দেয় সরকার, ভুক্তভোগী
বসন্ত এলো কলমে নাট্যকার মোঃমনির সরদার গোসাইরহাট ,শরীয়তপুর। বসন্ত এলো, শিমুল হাসে, পলাশে আগুন রঙের ভাষে। হাওয়া নরম, রোদ্দুর মিষ্টি, পথে পথে নতুন গন্ধ অদ্ভুত সৃষ্টি। সবাই যেন কারো হাতে,
বায়ান্নার একুশে সকাল হতেই স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হলো বীর বাঙ্গালীর মাতৃভাষা বাংলা, পাক হানাদারদের সশস্ত্রবাহিনী পারে নি সামলাতে কৃষক কুলি-মজুর কামার-কুমার মুনি ঋষি আমলা! ভাষার জন্য দুর্দমনীয় প্রতিবাদে ফেটে পড়ছিলো