দহনের দিনশেষে তোমাকেই চাই পাশে,আদিপ্রেম জাগে প্রাগৈতিহাসিক হরপ্পা-নারী। শেষবেলা এসে বললে হেসে—আমি সেই নর,বেদভূমির আশপাশ কোথাও আমাদের ঘর। দুই হাতে আগুনের গোলা, রাগান্বিত ঈশ্বর,মিথ্যা প্রতারণা নিমেষেই ছাই—সব আঁধার। ঘাতক, পাতক,
অতঃপর তবু আমরা হাঁটি– পদচিহ্নের ওপরে নতুন পদচিহ্ন রেখে প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে পুনরায় জন্ম দেই। যে ব্যথা আমাদের কাঁদায়, সেই ব্যথাই একদিন পাহাড়ের গল্প শোনায়। নীরবতা অনেক কিছু শেখায়, শোনা
স্তব্ধ পৃথিবীর নীরবতা ভাঙেকবির মৌন ধ্বনি ব্যঞ্জনায়শব্দের ভাঁজে ভাঁজে কবিতারশৈল্পিক রূপায়ণ।কখন যে মনের গহীনেকবির সহজ-সুলভ মনেএক উদ্দীপনা ভাঙায় ধ্যান,নিস্তব্ধতা ছুঁয়ে যায়উষ্ণতার নীরব একমহেন্দ্র আলিঙ্গন।ধূপছায়া আকাশেতারার মিলনমেলা,এক অবর্ণনীয় ছন্দ-সৌন্দর্যরূপায়িত হয় স্তব্ধ
কত কিছু গবেষণা হয় সফলতা পায়, আসে, আসবে। চরম গবেষনায় শুধু এই ফলাফল-ই প্রাপ্তি নয়, নয় প্রাপ্তি, আত্মাটা ব্লাকহোলে উড়ে যাবার প্রাক্কালে স্মৃতিতে কি বহমান রয়! দূর্লভ ভীষণ দুস্প্রাপ্যও বটে
সত্যি! কত কিছু আছে যে ওৎ পেতে পরম মমত্বের ছোঁয়া সুদূর গগন তে, কেউ নাক- চোখ কারো খোলা কান ষষ্ঠ রিপুর তাড়নায় জিভে চলে শাণ। জিভে শাণ দিতে দিতে যায়
ভালবাসার বজ্র আঘাত যখন হানিবে বক্ষে, ধ্বনিয়া উঠিবে তূর্যধ্বনি তোমার চোখের অলক্ষ্যে। কম্পিত হবে হৃদয় তোমার সঞ্চারিত হবে মন, খুলিবে তোমার লৌহ -কপাট আমি করিব বিচরণ। অন্তর তোমার সিক্ত হবে
যাদের জীবন সহজ সরল কথাবার্তা নরম চোখে থাকে শরম তাদের উপর স্বার্থনেষি চক্ষু করে গরম। লুটেপুটে দেশটা খেয়ে গরম দেখায় পেশির পা চাটে ভিনদেশীর হাজার জুতাপেটাতেও নিচু হয় না
আমার নরম রোদের শহরে একদিন এসো তুমি,কুয়াশার পলেস্তারা সরিয়ে সরিয়ে আমরা পাশাপাশি হাঁটব।তোমার পায়ের নকশায় আমার পা,তোমার হাতের ওমে আমার হাত। কথারা, গল্পেরা গড়াগড়ি খাবে বাতাসের হিমে,দুদণ্ড দাঁড়িয়ে দু’জন দেয়ালপত্রিকা
অয়নান্তসাঈদা আজিজ চৌধুরী মহীরুহের গভীরে হৃদয় খুঁড়ে আসন,ভেবেছি অনন্তকাল ধরে বৃক্ষটি আশ্রয়, প্রশ্রয়।রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে, মেঘের ডানায় অদৃশ্য সিংহাসন;দুঃখ, বেদনা শুষে সালোক-সংশ্লেষণ। সেখানে কলস্বরে নদীর গান, সমুদ্রের তরঙ্গ;ভোরের সূর্য, রাতের
আসুন সবাই শপথ করি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে মনের দুয়ার খুলে উপড়ে ফেলি শিকড় তাদের যারা ধ্বংসের মূলে। যারা দেশের চায় না ভালো আঁটে মনে ফন্দি নয় তো কোনো সন্ধি খুঁজে