ফেব্রুয়ারি মানে আলোর মিছিলমনে পড়ে বৃষ্টির রক্তিম ধরাতল।ফেব্রুয়ারি মানে মাতৃভাষা,স্বাধীন বর্ণমালা—সংগ্রামী রূপকথা। ফেব্রুয়ারি মানে স্বদেশপ্রেমের গান,ভাষার জন্য যারা দিয়েছিল প্রাণ।শেষ হবার নয় তাদের অবদান,তাই তো এত প্রতিকূলতার পরও এসেছে সুদিন।
তোমায় ভেবে মন গীতিকবি: স্বর্ণা তালুকদার কারণে অকারণে তোমায় ভাবে মন,তোমায় পেলে ধন্য জীবন। রজনী বিদায়ে আসে, রজনী আসে,তোমার সুবাসে মনে হয়—আছো কাছে।যাও তুমি স্মৃতির গোধূলি লগনে। সীমার মাঝে দাঁড়িয়ে
ভাগ্য কলমে নাট্যকার মোঃমনির সরদার গোসাইরহাট, শরীয়তপুর। তুমি চাইলে কি সব পাওয়া যায় ভাগ্য তো আর কবিতা নয়, যে নিজের হাতে ইচ্ছেমতো লেখা যায়। স্বপ্ন আসে চুপচাপ পায়ে, সব স্বপ্ন
তোমার বোমারু বিমান আছে যত গোলা-বারুদ, যুদ্ধের কামান— মূল্য কী তার, একটি প্রাণের সমান? মনে করো সেই দিন, এই ভূমি তাদের দান। আজ তুমি মারছো মানুষ, ভুলেছো মানবতা মনে রেখো,
“প্রেমের বসন্ত” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। শীতের পরে বসন্ত, চতুর্দিকে লাল, কৃষ্ণচূড়া পলাশের, চেহারা মাতাল, সূর্য্যের উদয় অস্তে,লাল অন্তরাল, দিগন্ত সীমা ছাড়িয়ে, আঁধার আকাল। শীত গ্রীষ্ম মাঝখানে,বসন্তের পাল, বসন্তের প্রাদুর্ভাবে,রোগী নাজেহাল,
পোড়া মাটির দুঃখকামরুন নেসা লাভলী সবাই বলে আমি নাকিএক পোড়া মাটির দুঃখ,জানলো না কেউ—আমি ওচাই একটি সুখের কক্ষ। দক্ষিণের জানালায় থাকব চেয়ে,শীতল এই মনটাকে দেব বিছিয়ে।সুগন্ধি জুঁই, কামিনী, যুথির পরশ
“প্যাঁক প্যাঁকানি” অক্ষর সিঁড়ি অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। হে লিপ্তা কালিমা বঙ্গেশ্বরী শিক্ষা বিনাশী ভুল ভাল মন্ত্রে বোকা বনে বাঙালি ঘাস ফুলে পুষ্পাঞ্জলি পশুর অধম কাঙালী শিক্ষা দীক্ষা জলাঞ্জলি পতিদাহে হাসালি
শীতের হাওয়া এলো হেমন্তের বিদায়েশুকনো পাতার মড়মড়ে আওয়াজেপ্রকৃতির এমন বৈরী রূপ প্রকাশে। বুনো হাঁসরা উড়ে নীল আকাশে,অতিথি পাখিরা উত্তরে আসেআনন্দ আর অভিযানের প্রত্যাশাতে।বাতাস শুধায় বিস্ময়ে—কিসের রহস্যেধরণীতে প্রণয় যে জেগেছে! প্রকৃতি
“ফোঁটা” নিবেদিতা দাস টালিগঞ্জ, কলকাতা বৃষ্টিফোঁটা খুঁজে বেড়াই অন্ধকারের ঘাসে নেশার মতো প্রতিটা ভোর অপেক্ষাতে বাঁচে| তোমার ঘ্রাণে বৃষ্টিসুলভ অন্যরকম খেলা … আড়াল গুলো ভেদ করে আজ অন্যরকম দহন এ
“মরুভূমি বাংলা” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। সে বাংলা নাই রে,সে বাংলা নাই, রাক্ষসী সিংহাসনে শুধু খাই খাই, জীবনানন্দের রূপসী বাংলা হায়, রবীন্দ্রর সোনার বাংলা পুড়ে ছাই, রক্ষকই ভক্ষক সেজে কাঠগড়ায়, চোরে