
কত কিছু গবেষণা হয়
সফলতা পায়, আসে, আসবে।
চরম গবেষনায় শুধু এই ফলাফল-ই
প্রাপ্তি নয়, নয় প্রাপ্তি,
আত্মাটা ব্লাকহোলে উড়ে যাবার
প্রাক্কালে স্মৃতিতে কি বহমান রয়!
দূর্লভ ভীষণ দুস্প্রাপ্যও বটে
কেউ ছিঁটেফোঁটা জানে নি কোনদিন,
জানে না!
জানবেও না হয়তোবা।
অস্থিমজ্জায় লেপটে আছো,
শিরা-উপশিরায় ধমনী অবয়ব’র
পরতে পরতে জুড়ে বসেছ
সেই অর্ধযুগ আগ হতে।
পরিত্রাণ!
পরিত্রাণ নেই, পেতেও চাইনা।
স্বহস্তে বার্লিন প্রাচীর তুলে দিয়েছিলাম !
বৈরাগ্য বেশে হন্য হয়ে খুঁজে চললে ত্রিভুবন।
শেষমেশ বহু সাধনা প্রার্থনায়
ক্ষয়ে যাওয়া অবয়বে———
প্রাচীর টি ডিঙিয়ে কোন এক সন্ধ্যাক্ষণে
অর্ধযুগ পর স্বচ্ছ কাঁচে ঘেরা বাড়ীটি তে, স্বর্গীয়
মমত্বে মোড়ানো বলয়’র মুখোমুখি এসে দাঁড়ালে।
তাই!
তাই জেনে নেও ‘ওহে বোহেমিয়ান’
পাশাপাশি হাটাই!
কাছে থাকা নয়,
ইহা নয়তো অন্তঃপুরে নিরবিচ্ছিন্ন বসত,
নয় তা স্বর্গ হতে ধীরলয়ে
নেমে আসা ভালবাসার রসদ।
মনপ্রাণ সর্বোচ্চ গতিতে ধেয়ে যাবে
কোন ক্ষণে না ফেরার প্রত্যয়ে সপ্তআসমানে,
মনে রেখো, সেই অন্তিমলগ্নে
পলেপলে ভেসে রইবে সেই মায়াবী মুখ!
তাকে ঘিরে, শুধু-ই তাকে ঘিরে
নিরন্তর আত্মায় এঁকে চলি সকল দুখ-সুখ
যাকে ঘিরে একান্তই বহমান
এপার-ওপার দু’পাড়ের ক্লান্তি-ক্লেশ
অবসাদ সর্বোচ্চ শান্তি দুখ-সুখ!
সর্বোচ্চ সুখ-দুঃখ —-