দহনের দিনশেষে তোমাকেই চাই পাশে,আদিপ্রেম জাগে প্রাগৈতিহাসিক হরপ্পা-নারী। শেষবেলা এসে বললে হেসে—আমি সেই নর,বেদভূমির আশপাশ কোথাও আমাদের ঘর। দুই হাতে আগুনের গোলা, রাগান্বিত ঈশ্বর,মিথ্যা প্রতারণা নিমেষেই ছাই—সব আঁধার। ঘাতক, পাতক,
...বিস্তারিত পড়ুন
যাদের জীবন সহজ সরল কথাবার্তা নরম চোখে থাকে শরম তাদের উপর স্বার্থনেষি চক্ষু করে গরম। লুটেপুটে দেশটা খেয়ে গরম দেখায় পেশির পা চাটে ভিনদেশীর হাজার জুতাপেটাতেও নিচু হয় না
আমার নরম রোদের শহরে একদিন এসো তুমি,কুয়াশার পলেস্তারা সরিয়ে সরিয়ে আমরা পাশাপাশি হাঁটব।তোমার পায়ের নকশায় আমার পা,তোমার হাতের ওমে আমার হাত। কথারা, গল্পেরা গড়াগড়ি খাবে বাতাসের হিমে,দুদণ্ড দাঁড়িয়ে দু’জন দেয়ালপত্রিকা
অয়নান্তসাঈদা আজিজ চৌধুরী মহীরুহের গভীরে হৃদয় খুঁড়ে আসন,ভেবেছি অনন্তকাল ধরে বৃক্ষটি আশ্রয়, প্রশ্রয়।রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে, মেঘের ডানায় অদৃশ্য সিংহাসন;দুঃখ, বেদনা শুষে সালোক-সংশ্লেষণ। সেখানে কলস্বরে নদীর গান, সমুদ্রের তরঙ্গ;ভোরের সূর্য, রাতের
আসুন সবাই শপথ করি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে মনের দুয়ার খুলে উপড়ে ফেলি শিকড় তাদের যারা ধ্বংসের মূলে। যারা দেশের চায় না ভালো আঁটে মনে ফন্দি নয় তো কোনো সন্ধি খুঁজে