পুরাতন বছরের হলো বিদায় নতুন বছরকে স্বাগ তম জানাই। যুদ্ধ হানাহানি বন্ধ হোক ভালোবাসা প্রীতির ছোয়া আসুক। মনে নতুন স্বপ্নরা ভাসুক।। নিঃশ্বাসের বিশ্বাস নেই সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস রাখি তাই যত্নে রত্ন
আর কত লাশ হলে এই দেশে গণতন্ত্র জন্ম নেবে? আর কত রক্তে ভিজলে মাটি সাম্য মানবতা লেখা হবে সংবিধানের পাতায়? আর কত মায়ের বুক খালি হলে নেতানেত্রীদের ক্ষমতার ক্ষুধা মিটবে?
“জাতের নামে বজ্জাতি” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর মুর্শিদাবাদ! আদিকাল থেকে শুরু,শাসন শোষণ, গরীবের জমি কেড়ে, ধনীদের ধন, নির্যাতিত গরীবেরা, প্রকাশ্যে নিধন, শাসক শোষিত জাতি, সৃষ্টিতে ভুবন। বংশের পরম্পরায়, স্থায়ী সিংহাসন, রাজার
নতুন বছরে হাতটা ধরো, পুরোনো ভয় সবটা ঝরো। চোখের ভাষায় কথা বলি, নীরব রাতেও স্বপ্ন জ্বলি। তোমার হাসি সকালের রোদ, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় জোড়। একটা বছর, একটা পথ, তুমি
“সূর্য উঠে-ডুবে যায়” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। বছর চলে আসে,বছর চলে যায়, পেটের খিদের মৃত্যু নাই, রাজা ফুলে ফেঁপে ওঠে মুনাফায়, প্রজা শুধু বুক চাপড়ায়। ফসল পরিপূর্ণ মোড়লের গোলায়, চাষী করে
আদর্শ—বাংলাদেশের আজকের সবচেয়ে জরুরি (ইকবাল জিল্লুল মজিদ) তারিখ ২৬.১২.২৫ বাংলাদেশে “আদর্শ” শব্দটি শুধু নীতিকথার জন্য নয় এটি এখন বেঁচে থাকার, সমাজ টিকিয়ে রাখার, এবং মানুষ হয়ে ওঠার একেবারে মৌলিক শর্ত।
কুয়াশা চারিদিকে, সকালের আকাশ;হিমহিম ঝিরিঝিরি ভোরের বাতাস। শিশির ঝিলমিল, যেন মুক্তোর আলো,মিষ্টি রোদ পোহাতে তাই পাখিরা এলো। সবুজ ঘাসেরা রূপকথার রতন,ঠান্ডায় রোদ ছোঁয় মানুষের মতন। প্রকৃতি সতেজ রয়, মায়াবী আবেশ;খেজুরের
আমি মাটির মানুষ, মাটিতেই আমার ঘর, মাটির গন্ধে ভরে থাকে হৃদয়ের প্রতিটি প্রহর। খাটের আরাম টানে না, ডাকে না বিলাসিতা, মাটিতে শুই বলেই পাই জীবনের আসল গন্ধটা। ধুলো মেখে গড়াগড়ি
২০২৫ সালের “আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান, গবেষণা, সংস্কৃতি ও শান্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিয়নের প্রশাসক এবং বিচক্ষণ জুরি বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এই বছরের সেরাদের তালিকায় নাম ঘোষণা করা হয়। বিজয়ী এই বিশ্বসেরা কবি বলেন –
কতোটা হিংস্র হলে তারা পারে চালাতে গুলি সে বুকে, যে বুকে ছিলো আকাশ সমান স্বপ্ন – দীপ্তি চোখে। স্বদেশের তরে অকুতোভয় যে জালিম দলের যম, ওসমান হাদী গুলি খেয়ে আজ