রাধে— যাকির সাইদ রাধে গিয়াছে ভাসাইয়া আমায় জোড়পুকুরের জলে,ফিরা কি আইবো না আর, এই না নিদানকালে,রাধে গিয়াছে ভাসাইয়া আমায় জোড়পুকুরের জলে। রাধে রাধে জইপা আমার যায় বুঝি গো প্রাণ,আর কত
আবাহন বলরাম সূত্রধর আয় না উমা আয় না ও-রে আয় না রে তোর আপন ঘরে।। (আমার) নাইকো অন্ন, নাইকো বস্ত্র নাইকো কোনো অস্ত্র-সস্ত্র। (আমি) জানিনে কোনো তন্ত্র মন্ত্র ডাকি শুধু
আমার সন্ধ্যাতারা তুমি কবি – আমির হোসেন চৌধুরী তুমি আমার নীল আকাশের নীলাঞ্জনা নভোমন্ডলের ধ্রুবতারা তুমি, জ্বলতে থাকো নিরবধি অন্তরীক্ষে আমার তুমি আমার ভালোবাসার রজনীগন্ধা। –ছেলে) আর তুমি আমার-! আমার
রহমাতুল্লিল আলামিন – মোঃ হাসান মাহমুদ পিতা আব্দুল্লাহ হতে মাতা আমিনার গর্ভে যে ফুলের সুবাসে সুবাসিত বিশ্বকূল, মক্কা নগরীতে ফুটিল সেই ফুল পবিত্র সে নাম মুহাম্মদ রাসুল। আসমানের ঐ চাঁদ যেমন
কবিতা – বিশ্ব নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইকবাল জিল্লুল মজিদ অন্যায়ের অন্ধকারে ডুবে ছিল দুনিয়া, মানুষ হারিয়েছিল ন্যায়ের আলো, অধিকার ছিল ধনী-গরীবের মাঝে বিভক্ত, শুধু অশ্রু বয়ে যেত অসহায়ের
কেমন ছিলে এতোদিন সাঈদা আজিজ চৌধুরী যদি আবার দেখা হয় দৈবাৎ প্রাচীন স্রোতের নদী ছলাৎ ছলাৎ— যদি হেসে ওঠে কৃষ্ণচূড়া রঙের আকাশ জোছনায় ভেসে রাত আসে খুলে যায় তোমার আমার
এই বসন্ত হাসান মাহমুদ এই বসন্ত তোমার জন্য উৎসবের দিন, তুমি বাসন্তি রঙ্গে রঙ্গিন। আমি ক্ষত-বিক্ষত, রক্তাক্ত, আমি চির-বিরহী, হৃদয় হয়েছে ক্ষত। তুমি বসন্ত-উৎসবে চিরকাল রবে, নন্দিত নিন্দা—আমারই হবে। আজ
এলো মোহাম্মাদ শাকেরা বেগম শিমু আকাশ হাসে, পাঁথার হাসে, ধরায় খুশির জোয়ার ভাসে, উঠলো খুশির ঢেউ, রহমতেরই বৃষ্টি নিয়ে আসলো বুঝি কেউ। আরব মরুর ধূঁসর বুকে, সে দিয়েছে পুলক ফুঁকে,
বানর বসছে সিংহাসনে হাসান মাহমুদ বানর বসছে সিংহাসনে, করবে দেশে রাজ, সুশীল সমাজ মুখ ঢাকে, কপালে পরে ভাঁজ । পশুর মাঝে বানর রাজা, চামচিকারা পাচ্ছে মজা, সুশীল যদি সত্য বলো—
শিখতে হবে আমির হোসেন চৌধুরী সাফল্যের ঝুড়ি নিয়ে আজ ঘুরি ফিরি একেলা, পাশের বন্ধু সুলভ মানুষটি কাঁদে ধুকে ধুকে, মন চায় ধরি তারে দু’হাতে করে। আজকের আমি সেদিনের আমি বিস্তর