যত বেশী সত্য ও বাস্তবতার আঙিনায়
বসবে জুড়ে,
ততই কঠিন ধরনীর সম্মুখীন
হতে হবে প্রতি ন্যানোসেকেন্ড প্রতিটি
পদক্ষেপে উড়ে ফুঁড়ে ।
দেখবে বন্ধু-বান্ধবে ঘিরে অধ্যায়ে
নেই কেউ—– কেউ নেই
অতঃপর ;
রক্ত ও আত্মার বন্ধন নিমেষেই গেলো টুটেে দৃঢ় বিশ্বাস-আস্থা যায় ছুঁটে,
কাঁচের ন্যায় ঝনঝন শব্দে তোলপাড়
চারিধার মেচাকার।
সজল দু’নয়ন উর্ধ্বপানে দৃষ্টি অন্তর্ধ্যাণ
স্বীয় সত্তায় চলে ঘূর্ণন নিরক্ষণ,
বাস্তবতার গলা টিপে কল্পনার বোঝাপড়া!
না, যেনো কিছুতেই মিলছে না দর্শণেই
দিশেহারা পাগলপারা
দিকবিদিকশূন্য গগন-জমিন ছুঁটে চলা।
কোথাও কেউ তো নেই, নেই কেউ
একা! ভীষণ একা
একাকীত্ব চারিধার অন্ধকার
তারপর?
তার আর পর? পর নেই
শুধু ক্লান্তি অবিনাশী চিন্তা-চেতনা
ঘিরে পর্যুদস্ত বহমান নির্বাসন।
অকস্মাৎ ;
মহান প্রভূ’র
অপার মহিমা, দয়ায় দেখা মেলে–
অসীম কৃপায় নিথর নিস্প্রভ প্রাণহীন
পাথুরে মূর্তি অবয়বে——
টিকটিক স্পন্দন পুরো আস্থায়!
নিজের মাঝে একান্ত পৃথিবীর বসত
অদৃশ্য হতে জুগায়ে চলে নিরন্তর
বাঁচার রসদ—– বাঁচার রসদ!
সেকি এক দুর্গম দূর্বোধ্য গিরিপথে
প্রাণ পনে ছুঁটে রথ, সবশেষে পায় পথ।
Like this:
Like Loading...
Related