জাগো মানুষ জাগো মু. নজরুল ইসলাম তামিজী তোমাদের গায়ে ঢালা শোষণের গ্লানি, তারপরও কি লজ্জা হয় না? যখন জনতা রক্তের ফোঁটায় মুখাবদ্ধ, তখনও কি তোমাদের ঘুম ভাঙে না? শুধু শাসক
কাঁটা- এক পলকের কবিতা / শিহাব রিফাত আলম নিশি জাগে চোখ, ভেজে আঁখি জল, বিরহের বুকে বহে কাঁটার দল। “এক পলকের কবিতা” – একটি নতুন কাব্যধারা “এক পলকের কবিতা” হলো
ভ্যানে বন্দী কবিতা মু. নজরুল ইসলাম তামিজী একটা গাড়ি— ভ্যান না, চলমান ইতিহাস। দেহে ঝুলছে আপোষহীন নেত্রীর মুখ নির্বাক এক পোস্টার তার চোখে লেগে আছে বাংলার বন্দি ভবিষ্যৎ। আর— পেছনের
বসন্ত কোকিল মোঃ হাসান মাহমুদ (হাসান) বসন্ত কোকিলের গানে পড়ো না তার প্রেমে তুমি কষ্ট পাবে। সে আসে বসন্ত বাগানে, বাসা বাঁধে না কোনো এক ডালে — পুড়বে তোমারে বিরহ
স্বপ্নে মাতাল কাজী ছাব্বীর তুমি আমার চেতন ঘুমে মগ্ন মাতাল স্বপ্ন ছিলে বেঘোর নেশায় ফাগুন গুলো নগ্ন হাতে কেড়ে নিলে নস্ট ভেবে কষ্ট দিয়ে নস্ট হাতেই নস্ট হলে এখন আমি
পত্রমিতা যদি একা একা লাগে, কষ্ট পাও অন্য কোনো আবেগে— পত্র দিও, পত্রমিতা পত্র দিও সেই পুরনো খামে। যদি মন খারাপ লাগে, ফিরে এসো, যদি তুমি অশ্রু জলে ভাসো— যদি
একাকীত্ব তাসলিমা আক্তার জানো আমি কিসে ভয় পাই? না বললে কি করে বুঝব আমি অভিমানে অবহেলায় আর একাকীত্ব ভয় পাই। আমি একা থাকতেই পারিনা মানুষ কেমনে একলা থাকে আমার তো
ভালোবাসি লিখতে কবিতা আমির হোসেন চৌধুরী আমি কবি আল মাহমুদও নই, নই রবি ঠাকুর মাইকেল মধুসূদন দত্তের কথা, না হয় বাদই যাক! আবার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম সে তো
অনন্তের ডাক এইচ.এম.জুনাইদুল ইসলাম পুব আকাশে যখন ওঠে নতুন দিনের আলো, মনে হয় যেন জীবনের শুরু হলো ভালো। ধীরে ধীরে ফোটে একটি কলি চুপ করে, যেন শেখায়, সময় হলেই সৌন্দর্য
সিন্ধ গোধূলি বেলায় মোঃ হাসান মাহমুদ সিন্ধ গোধূলি বেলায় কেন তব হায়, বিরহ-যাতনায় মন পোড়ায় শ্মশানের চিতায়, কার অহেলায়? এককী চাঁদ পূর্ণিমার রাতে জাগে আমারই সাথে, রাত কাটে একাকীত্বে— সময়