হলো না ভালোবাসা! আমির হোসেন ভালোবাসার নীল সাগরে আমি হলাম – এক লাল পদ্ম একান্তে- তবে আজ মনে প্রশ্ন ঘুরে ফিরে, হয়তো!!! ভালবাসায় ছিলো তোমার কিছু না জানা – ভুলে
“তুমি রবে নীরবে” অরবিন্দ সরকার বনের সব শেয়ালের এক রা হুক্কা হুয়া, হুবহু মানুষ রব ময়না টিয়া কাকাতুয়া। বাংলা ভাষার বড়াই বাঙালি করে লড়াই কোকিলের কুহুতান,কাক কা কা ধূয়া। রানীর
জীবনের পথে কবি-মুসাফির-৷৷ / ঢাকা এই বিশ্ব ভুবনে চলার পথে উঠতে বসতে হাঁটতে, কত মানুষের সাথে হয় দেখা! হয় পরিচয় হয় কিছু কথা কিছু ভালো কিছু মন্দ! চলে সব প্রকৃতির-
ঋতুর পরিবর্তন হয়,মানুষের নয়” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। শীত ফুরিয়ে বসন্ত, অপেক্ষা আসার, লেপ তোষক গুটিয়ে,ধনীর সংসার, গরীবের ছেঁড়া বস্ত্রে,সম্পদ কাঁথার, কে খোঁজ রাখে তাদের,শীতের ব্যথার! শীতের কম্বল চৈত্রে,দেয় সরকার, ভুক্তভোগী
বসন্ত এলো কলমে নাট্যকার মোঃমনির সরদার গোসাইরহাট ,শরীয়তপুর। বসন্ত এলো, শিমুল হাসে, পলাশে আগুন রঙের ভাষে। হাওয়া নরম, রোদ্দুর মিষ্টি, পথে পথে নতুন গন্ধ অদ্ভুত সৃষ্টি। সবাই যেন কারো হাতে,
বায়ান্নার একুশে সকাল হতেই স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হলো বীর বাঙ্গালীর মাতৃভাষা বাংলা, পাক হানাদারদের সশস্ত্রবাহিনী পারে নি সামলাতে কৃষক কুলি-মজুর কামার-কুমার মুনি ঋষি আমলা! ভাষার জন্য দুর্দমনীয় প্রতিবাদে ফেটে পড়ছিলো
ফেব্রুয়ারি মানে আলোর মিছিলমনে পড়ে বৃষ্টির রক্তিম ধরাতল।ফেব্রুয়ারি মানে মাতৃভাষা,স্বাধীন বর্ণমালা—সংগ্রামী রূপকথা। ফেব্রুয়ারি মানে স্বদেশপ্রেমের গান,ভাষার জন্য যারা দিয়েছিল প্রাণ।শেষ হবার নয় তাদের অবদান,তাই তো এত প্রতিকূলতার পরও এসেছে সুদিন।
তোমায় ভেবে মন গীতিকবি: স্বর্ণা তালুকদার কারণে অকারণে তোমায় ভাবে মন,তোমায় পেলে ধন্য জীবন। রজনী বিদায়ে আসে, রজনী আসে,তোমার সুবাসে মনে হয়—আছো কাছে।যাও তুমি স্মৃতির গোধূলি লগনে। সীমার মাঝে দাঁড়িয়ে
ভাগ্য কলমে নাট্যকার মোঃমনির সরদার গোসাইরহাট, শরীয়তপুর। তুমি চাইলে কি সব পাওয়া যায় ভাগ্য তো আর কবিতা নয়, যে নিজের হাতে ইচ্ছেমতো লেখা যায়। স্বপ্ন আসে চুপচাপ পায়ে, সব স্বপ্ন
তোমার বোমারু বিমান আছে যত গোলা-বারুদ, যুদ্ধের কামান— মূল্য কী তার, একটি প্রাণের সমান? মনে করো সেই দিন, এই ভূমি তাদের দান। আজ তুমি মারছো মানুষ, ভুলেছো মানবতা মনে রেখো,