“প্রেমের বসন্ত” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। শীতের পরে বসন্ত, চতুর্দিকে লাল, কৃষ্ণচূড়া পলাশের, চেহারা মাতাল, সূর্য্যের উদয় অস্তে,লাল অন্তরাল, দিগন্ত সীমা ছাড়িয়ে, আঁধার আকাল। শীত গ্রীষ্ম মাঝখানে,বসন্তের পাল, বসন্তের প্রাদুর্ভাবে,রোগী নাজেহাল,
পোড়া মাটির দুঃখকামরুন নেসা লাভলী সবাই বলে আমি নাকিএক পোড়া মাটির দুঃখ,জানলো না কেউ—আমি ওচাই একটি সুখের কক্ষ। দক্ষিণের জানালায় থাকব চেয়ে,শীতল এই মনটাকে দেব বিছিয়ে।সুগন্ধি জুঁই, কামিনী, যুথির পরশ
“প্যাঁক প্যাঁকানি” অক্ষর সিঁড়ি অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। হে লিপ্তা কালিমা বঙ্গেশ্বরী শিক্ষা বিনাশী ভুল ভাল মন্ত্রে বোকা বনে বাঙালি ঘাস ফুলে পুষ্পাঞ্জলি পশুর অধম কাঙালী শিক্ষা দীক্ষা জলাঞ্জলি পতিদাহে হাসালি
শীতের হাওয়া এলো হেমন্তের বিদায়েশুকনো পাতার মড়মড়ে আওয়াজেপ্রকৃতির এমন বৈরী রূপ প্রকাশে। বুনো হাঁসরা উড়ে নীল আকাশে,অতিথি পাখিরা উত্তরে আসেআনন্দ আর অভিযানের প্রত্যাশাতে।বাতাস শুধায় বিস্ময়ে—কিসের রহস্যেধরণীতে প্রণয় যে জেগেছে! প্রকৃতি
“ফোঁটা” নিবেদিতা দাস টালিগঞ্জ, কলকাতা বৃষ্টিফোঁটা খুঁজে বেড়াই অন্ধকারের ঘাসে নেশার মতো প্রতিটা ভোর অপেক্ষাতে বাঁচে| তোমার ঘ্রাণে বৃষ্টিসুলভ অন্যরকম খেলা … আড়াল গুলো ভেদ করে আজ অন্যরকম দহন এ
“মরুভূমি বাংলা” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। সে বাংলা নাই রে,সে বাংলা নাই, রাক্ষসী সিংহাসনে শুধু খাই খাই, জীবনানন্দের রূপসী বাংলা হায়, রবীন্দ্রর সোনার বাংলা পুড়ে ছাই, রক্ষকই ভক্ষক সেজে কাঠগড়ায়, চোরে
দহনের দিনশেষে তোমাকেই চাই পাশে,আদিপ্রেম জাগে প্রাগৈতিহাসিক হরপ্পা-নারী। শেষবেলা এসে বললে হেসে—আমি সেই নর,বেদভূমির আশপাশ কোথাও আমাদের ঘর। দুই হাতে আগুনের গোলা, রাগান্বিত ঈশ্বর,মিথ্যা প্রতারণা নিমেষেই ছাই—সব আঁধার। ঘাতক, পাতক,
অতঃপর তবু আমরা হাঁটি– পদচিহ্নের ওপরে নতুন পদচিহ্ন রেখে প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে পুনরায় জন্ম দেই। যে ব্যথা আমাদের কাঁদায়, সেই ব্যথাই একদিন পাহাড়ের গল্প শোনায়। নীরবতা অনেক কিছু শেখায়, শোনা
স্তব্ধ পৃথিবীর নীরবতা ভাঙেকবির মৌন ধ্বনি ব্যঞ্জনায়শব্দের ভাঁজে ভাঁজে কবিতারশৈল্পিক রূপায়ণ।কখন যে মনের গহীনেকবির সহজ-সুলভ মনেএক উদ্দীপনা ভাঙায় ধ্যান,নিস্তব্ধতা ছুঁয়ে যায়উষ্ণতার নীরব একমহেন্দ্র আলিঙ্গন।ধূপছায়া আকাশেতারার মিলনমেলা,এক অবর্ণনীয় ছন্দ-সৌন্দর্যরূপায়িত হয় স্তব্ধ
কত কিছু গবেষণা হয় সফলতা পায়, আসে, আসবে। চরম গবেষনায় শুধু এই ফলাফল-ই প্রাপ্তি নয়, নয় প্রাপ্তি, আত্মাটা ব্লাকহোলে উড়ে যাবার প্রাক্কালে স্মৃতিতে কি বহমান রয়! দূর্লভ ভীষণ দুস্প্রাপ্যও বটে