ভাবতে ভাবতে জগৎ যায় দেখো ঐ যে দূর বহুদূরে, অগনিত পথ প্রাচীর জনপদ বের হয় ফুঁড়ে ফুঁড়ে। এই পথ ঐ পথ কোন পথে ধাই? যে পথে এসেছি সেই পথ নাই,
শিখা চিরন্তন (শহীদ হাদির অমর স্মৃতির প্রতি উৎসর্গকৃত) হাসান মাহমুদ আজ লৌহ–লোহান পিচঢালা পথ, অর্ধনমিত পতাকায় মৃত্যুর শোক; চিরনিদ্রায় নীরবে তুমি শায়িত— তোমাকে দিলাম বিদায়, হে বীর। তোমার বজ্রকণ্ঠ আর
“বিষাক্ত ভেজাল রক্ত” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। খাদ্যে রাসায়নিক দ্রব্য ভেজাল মিশ্রণ, রংবাহারী জৌলুস নজরকাড়া আবরণ, ফুলে–ফলে দেদার বিষ, ভ্রমর মধু সঞ্চয় অহর্নিশ, পুষ্প মন্থনে সুধার বদলে বিষ আনয়ন। অশিক্ষিতদের চাকুরীতে
দেবীর একান্ন পীঠ,কিরীট ভূষণ, কিরীটেশ্বরী মন্দির, দর্শনীয় স্থান, পৌষ মাসে মেলা বসে,প্রকৃতির দান, যানবাহন গো গাড়ী,লোক আগমন। আদর্শ গ্রাম স্বীকৃতি,মেলে গত সন, সর্বধর্ম সমন্বয়ে, তৈরী পীঠস্থান , পরিচালনা দায়িত্বে, শৃঙ্খলার
পরিযায়ী শ্রমিকেরা,ভিন দেশে পাড়ি, খাদ্যের অভাবে ছোটে, পরিবারে আড়ি, পরিযায়ী পাখি আসে, ঠাণ্ডা দেশ ছাড়ি, সুদূর সাইবেরিয়া,থেকে দল ভারী। কৃত্রিম অভাব সৃষ্টি, ফসল পাচারী, গুদামে মজুত রেখে,লাভে অংশীদারি, যে করে
২৫শে ডিসেম্বর বড়দিনযীশু, তোমার জন্মদিন।জন্মেছিলে জেরুজালেমে ইহুদি পরিবারে,যীশুর ত্যাগের নীতিকে স্মরণ করি। বড়দিন হোক সকলের দিন,শেষ হোক পুঁজিবাদ দখলের দিন।অসীম আনন্দ উৎসবের দিন,চারদিকে উৎসব-অনুষ্ঠানের আয়োজন। বড়দিনের আনন্দ সান্টা ক্লজের উপহারে,ক্রিসমাস
তবুও চলবো! আমির হোসেন চৌধুরী হিসাবের খাতা বড়ই কঠিন! যাচ্ছে না মিলানো তার একদিকে কিছু যদি আসে অন্যদিকে যায় যে চলে । দিনের শেষে রঙিন স্বপ্ন যায় যে ভেসে পরদিন
যখন যেখানে যা পাই তাই নিয়ে কাঁটিয়েদেই বেলা। জানি না এ আমার কোন খেলা! আশায় বাঁধি, স্বপ্ন বুনি নিরাশায় ডুবে মরি। সমুখে যা পাই তাই আঁকড়ে ধরি! জানি না এ
হেমন্ত স্বর্ণা তালুকদ হেমন্ত এলো আনন্দ এলো নবান্নে তাই আমেজ ভালো। ধানের শীষে দোদুল দুলে শীতের পিঠা দিল খুলে।। ফুল প্রজাপতির খুশি মনে যাচ্ছে উড়ে ক্ষণে ক্ষণে। হেমন্তে রোদ মিষ্টি
দিনে দিনে বাড়ছে বয়স কাটছে গুনে দিন পেরিয়ে যাচ্ছে বছর খানেক বেড়ে যাচ্ছে সময়ের ঋণ।। অনেক অনেক ব্যথা জমে থাকছে পরে মনের কোনে, হাট-বাজারে ঘরে বাইরে নেই কোন তার হিসেব