ভাবনা আমার ওদের ঘিরে নূর-ই-ইলাহী চিড়িয়াখানার ফটক দিয়ে যেই না আমি ঢুকি, চোখের সামনে বানরগুলোর লাফালাফি দেখি! এক বানরের লেজ ধরে আরেক বানর টানে, খেলার ছলে ভুলেই গেছে স্বাধীনতার মানে।
পুতুল খেলা স্বর্ণা তালুকদার আয়রে তোরা গাঁয়ের ছেলে মেয়ে দিন কেটে যায় আনন্দে নেচে গেয়ে প্রজাপতি আর টিয়ে ফড়িং কই খুশিতে টলমল করে ওই। দেখবে সার্কাস ওই মেলায় সময় কাটায়
মেঘ – রুবি আক্তার আমার এক টুকরো মেঘ আছে, যার কাছে রাখি আমার কষ্টগুলোকে জমা। একদিন গভীর রাতে বললো মেঘ এসে, তোর কষ্ট অনেক ভারী, পারি না যে আমি বয়ে
ক্ষমতার বাহাদুরি জনি সিদ্দিক ক্ষমতার বাহাদুরি করো তুমি ভোট চুরি, ঘাড়ে রেখে চাপাতি সরু গলি কাঁপাতি। মানুষ নাকি পশুরে তুই বন্য টাকার লোভে দিকহারা জঘন্য, অসহায় জনে তুই করলি ছিনতাই
শব্দে মোড়ানো আমি– ইকবাল জিল্লুল মজিদ লোকেরা ভাবে আমি লিখি কারণ শব্দ দিয়ে আমি ছবি আঁকতে জানি। কারণ আমি প্রকাশ করতে পারি – যা তারা কল্পনাও করতে পারে না।
স্বপ্ন আঁকি,কিন্তু! আমির হোসেন চৌধুরী মনে অনেক স্বপ্ন আঁকি রঙিন স্বপ্ন – লাল নীল সাদা কালো! হরেক রংয়ের – মনে হয় এই বুঝি হলো তা চেয়েছি যা! তবুও চিন্তা সমস্যার
সত্তা কে নির্বাসন নাসরিন ইসলাম একা থাকার অভ্যেস টা রপ্ত করে ফেলেছি তো ধরণী তে পদার্পণ হতেই, শংকা-সংকীর্ণতা ভয়? তাতে ঘূর্ণন অবগাহন বহমান নয় এই গ্রাম-গঞ্জ বন্দর নগরীতে ছিঁটেফোঁটা নয়!
যাক চলে দিন! আমির হোসেন চৌধুরী একটু খানিক চাইলে ভালো দেখি- হয়ে যাই তা সব খারাপ! তার চেয়ে তাই- ভালো যে হয় কিছু ভালো না চাওয়ায়। যেদিন যাচ্ছে চলে সেদিন
বাংলা, বাঙালি ও ক্ষুধার্তঅথই নূরুল আমিন আমরা হাজার বছর ধরে ক্ষুধার্ত আছি,চরম ক্ষুধার্ত। কেউ খেয়েও ক্ষুধার্ত,কেউ কেউ আজীবন না খেয়েই ক্ষুধার্ত।। তবে বিগত চুয়ান্ন বছর ধরে এক পা দু’পা করেস্বাধীন
প্রিয় জন্মভূমিস্বর্ণা তালুকদার মাতৃভূমি, আহা বাংলা তুমি,মাটির সাথে আত্মার টান,তাই তো দিবানিশি গেয়ে চলিএ জীবনে তোমারই জয়গান। এই দেশ হলো মনের কোণে চলাউঁকিঝুঁকি চিত্রিত আশা-ভাষা,তুমিই সত্য সাধ, মায়া-মমত্বে ঠাঁসাহৃদয়ের নিরেট