কেমন ছিলে এতোদিন সাঈদা আজিজ চৌধুরী যদি আবার দেখা হয় দৈবাৎ প্রাচীন স্রোতের নদী ছলাৎ ছলাৎ— যদি হেসে ওঠে কৃষ্ণচূড়া রঙের আকাশ জোছনায় ভেসে রাত আসে খুলে যায় তোমার আমার
এই বসন্ত হাসান মাহমুদ এই বসন্ত তোমার জন্য উৎসবের দিন, তুমি বাসন্তি রঙ্গে রঙ্গিন। আমি ক্ষত-বিক্ষত, রক্তাক্ত, আমি চির-বিরহী, হৃদয় হয়েছে ক্ষত। তুমি বসন্ত-উৎসবে চিরকাল রবে, নন্দিত নিন্দা—আমারই হবে। আজ
অনুভূতি স্বর্ণা তালুকদার জীবনের পরাজয়ে নেই ভীতি শুধু কিছু তীক্ষ্ণ অনুভূতি। জীবন হলো কাজ–বিনাশী পাঠ, চিন্তারা বয়ে যায়, ঘুমে হারায় রাত। সমবেদনা কষ্টে অপ্রয়োজনীয় তায়, হতাশা বৃথা উপভোগ করতে হয়,
এলো মোহাম্মাদ শাকেরা বেগম শিমু আকাশ হাসে, পাঁথার হাসে, ধরায় খুশির জোয়ার ভাসে, উঠলো খুশির ঢেউ, রহমতেরই বৃষ্টি নিয়ে আসলো বুঝি কেউ। আরব মরুর ধূঁসর বুকে, সে দিয়েছে পুলক ফুঁকে,
পাখি স্বর্ণা তালুকদার দুষ্টু মিষ্টি ছোট-বড় নানান রকম পাখি, মিষ্টি রোদে যতনে আমি বন্দী করে রাখি। থাকতে চাও না পরাধীন, উড়বে ডানা মেলে— সন্ধ্যা হলে ফিরবে নীড়ে ফিরবে হেসে খেলে।
দরুদের ফুল নূর-ই-ইলাহী মুমিনে মুমিনে গাহি নবীজির গান, দরুদে বাঁধিবো আজ পরাণে পরাণ। দরুদের ফুল দোলে জীবন বাঁকে, অশেষ সালাম প্রিয় রাসূলে পাকে। দরুদের মালা হোক
জীবন্ত শ্মশানবলরাম সূত্রধর সংসার শ্মশানে দাঁড়িয়েশ্মশানকে করিস ভয়!এ যে তোর মনের কোণেজমে থাকা, আজব এক বিস্ময়। সংসারের এই মোহ-মায়ায়যে জন জ্বলে নিত্য চিতায়!শ্মশানের ওই আগুনে তারকিসের এত ভয়!! মা-বাবা ভাই-বোনস্ত্রী-পুত্র
বানর বসছে সিংহাসনে হাসান মাহমুদ বানর বসছে সিংহাসনে, করবে দেশে রাজ, সুশীল সমাজ মুখ ঢাকে, কপালে পরে ভাঁজ । পশুর মাঝে বানর রাজা, চামচিকারা পাচ্ছে মজা, সুশীল যদি সত্য বলো—
মাদার তেরেসা স্বর্ণাতালুকদার জগতে পরিচিত হয়ে আলোক বর্তিকা সমাজে সম্মানিতা দয়া মহানুভবতা, হারাইনি বিস্মৃতির আঁধারে করেছেন কাজ বিশ্ব হিতের তরে। কতনা মানুষ হয়েছে সুস্থ তাঁর কৃপা ভরে তিনি ছিলেন
শিখতে হবে আমির হোসেন চৌধুরী সাফল্যের ঝুড়ি নিয়ে আজ ঘুরি ফিরি একেলা, পাশের বন্ধু সুলভ মানুষটি কাঁদে ধুকে ধুকে, মন চায় ধরি তারে দু’হাতে করে। আজকের আমি সেদিনের আমি বিস্তর